রমযানে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ হেলথ্‌ টিপস্‌

রমযানে আমাদের স্বাভাবিক রুটিন বা অভ্যাসগুলো অনেকটাই পরিবর্তন করতে হয়। এতে করে অনেকেই হয়তো ভালভাবে খেতে পারেন না, বা প্রয়োজনীয় পরিমাণ ঘুমাতে পারেন না। পাশাপাশি, রমযান মাসের বিশেষ রুটিনের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ বা ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠান সব খানেই সাময়িক কিছু পরিবর্তন আনতে হয়। কিন্তু একটু খেয়াল করে চললেই রমযানে রোজা রেখেও আপনি থাকবেন সুস্থ ও প্রোডাক্টিভ

হ্যান্ডিটিপসের আজকে থাকছে রমযানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ হেলথ্‌ টিপস্‌।

১। সেহরি খান

আমাদের মহানবী (সঃ) বলেছেন, ‘’ রোযা রাখার পূর্বে তোমরা অবশ্যই সেহরি খাও’’। অনেকেই হয়ত একটু বেশি ঘুমোনোর জন্য সেহরি খেতে চান না। কিন্তু আমাদের সবারই মনে রাখতে হবে রোযা রাখা অবস্থায় হয়তো যেকোনো সময় অল্প ঘুমোনো যাবে অথবা বিশ্রাম নেওয়া যাবে কিন্তু কিছুই খাওয়া যাবে না। তাই ভালো উপায় হচ্ছে আপনি রাতে ঘুমোনোর আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। হাতের কাছা কিছু শুকনো খাবার রাখা যেতে পারে।

২। চর্বি জাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণ করুন

চর্বি জাতীয় খাবারগুলো একটু নিয়ন্ত্রণ করে খেতে হবে তবে পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাবে না। তাহলে আমাদের ইফতারের যে ঐতিহ্য এখন পর্যন্ত চলে এসেছে সেটা থেকে আপনি বঞ্ছিত হবেন। যদি আপনি একদমই না বুঝতে পারেন যে কি জাতীয় খাবার খাবেন তাহলে যে কোনো  মিষ্টান্ন যেমন ফলের জুস, খেজুর, বিভিন্ন ধরনের শরবত অথবা কম মসলাযুক্ত খাবার বেছে নিতে পারেন।

iftar

৩। মহানবী (সঃ) এর হাদিসটি মেনে চলুন

মহানবী (সঃ) এর একটি হাদিস রয়েছে যে, আপনার পেটের তিন ভাগের এক ভাগ খাবার খান, এক ভাগ পানি দিয়ে পূর্ণ করুন, আর এক ভাগ ফাঁকা রাখুন। এই নিয়মটি সব সময় পালন করা উচিত বিশেষ করে রমজান মাসে। এই হাদিসটি অনুসরণ করলে আপনি সুস্থ থাকবেন, ইনশা আল্লাহ্‌।

৪। দুপুরে বিশ্রাম নিন

দুপুরে অল্প সময়ের জন্য হলেও একটু বিশ্রাম নিন। সেটা হতে পারে ১৫-২০ মিনিট। নির্জন বা একাকি স্থানে গিয়ে বিশ্রাম নিলে ভালো, এটা আপনাকে রমজান মাসের সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

৫। ইফতারের পরে হাঁটুন

ইফতারের পরে বাড়ির আশেপাশে অথবা উঠোনে অল্প কিছুক্ষ্ণের জন্য হাঁটাহাঁটি করুন। এতে আপনি স্বস্তি বোধ করবেন এবং বিশুদ্ধ বাতাসে আপনি পরবর্তী কাজের জন্য ঊদ্দ্যমতা খুঁজে পাবেন।

walking

৬। তারাবীহ নামাজ আদায় করুন

এটা বলার কোনো অপেক্ষা রাখেনা যে, তারাবীহ’র নামাজ এর থেকে উত্তম ব্যায়াম আর কিছু হতে পারে। তাছাড়া একসাথে তারাবীহ’র নামাজ আদায়ের ফলে পরস্পরের মধ্যে সামাজিক বন্ধন ও ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টি হয়।

tarabih

 

Share with Friends:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *