একদিনে প্যাক করুন বাড়ির সব কিছু

pack and shift in dhaka

বাসা-বাড়ি বদল অবশ্যই একটি প্রচণ্ড ঝামেলার কাজ! বাড়ির এত জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেয়াটা কত কঠিন সেটি শুধুমাত্র যারা করে তারাই বোঝে। একটি বাড়িতে তো আর অল্প কিছু থাকে না! সব কিছু আলাদা ভাবে প্যাক করা,  সেই প্যাকেজ গুলো বহন করা, তারপর আবার গুছিয়ে রাখা – অনেক ঝক্কি-ঝামেলার কাজ। অনেকেই এই কাজ গুলো করতে অনেক সময় নেয়। এই কাজ একদিনে করা গেলে খুব ভালো হত। আজ সেটি নিয়েই আমাদের এই ব্লগ।

প্যাকেজিং শুরু করার আগে থেকেই কিছু জিনিস আপনার হাতের নাগালে রাখা লাগবে-

  • কার্ডবোর্ড বক্স
  • পুরনো পত্রিকা
  • বাবল র‍্যাপ
  • প্যাকিং টেপ
  • প্যাকিং পেপার
  • মার্কার
  • কাঁচি

নিজে নিজে বাড়ি বদল করতে উপরের জিনিসগুলো আপনার অবশ্যই লাগবে। এগুলো ছাড়া বাসা-বাড়ি বেশ ঝামেলাপূর্ণ হয়ে যাবে। আপনি যদি প্যাকিং এর কাজ নিজে না করে অন্য কাউকে দিয়ে করাতে চান সেক্ষেত্রে এই প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো তারাই সঙ্গে করে নিয়ে আসবে।

যেভাবে একদিনে গোছাবেন আপনার বাসা-বাড়িঃ

এই চেকলিস্টে আপনি পাবেন একদিনে বাসা-বাড়ি বদলের সব রকমের তথ্য।

  • প্রত্যেক রুম আলাদা ভাবেঃ একেক রুমে একেক কাজে বার বার না গিয়ে একটি রুমের সব কাজ একই সাথে শেষ করে ফেললে সময় এবং শক্তি দুইটিই সাশ্রয় হয়।
  • অপ্রয়োজনীয় জিনিস আলাদা করুনঃ বাসা-বাড়ি শিফট করার অন্তত দুই সপ্তাহ আগে থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আলাদা করে রাখুন। নতুন বাড়িতে অপ্রয়োজনীয় জিনিস গুলো না নিয়ে বরং ওগুলো কোথাও ডোনেট করে দিতে পারেন।
  • বক্সগুলোয় লেবেল যুক্ত করুনঃ একটি বাড়িতে অনেক ধরনের জিনিস থাকে। একেক জাতীয় জিনিস একেক বক্সে আলাদা করে প্যাক করতে হবে। যেমনঃ বাড়ির সব কাপড়-চোপড় এক বক্সে, কাচের জিনিসপত্র অন্য বক্সে, রান্নাঘরের জিনিসপত্র অন্য বক্সে রেখে আলাদা ভাবে লেবেল লাগাতে হবে।
  • প্রত্যেক সদস্যের জন্য আলাদা বক্সঃ বাড়ির সকল সদস্যের জিনিসপত্র আলাদা হয়ে থাকে। বাড়ির সব জিনিসপত্র একসাথে বক্সে নিয়ে প্যাক করলে কেউই ঠিক মত তার জিনিস খুঁজে পাবেন না! এজন্য বাড়ি শিফট করার সময় প্রত্যেক সদস্যের জন্য আলাদা আলাদা বক্স রাখা উচিৎ।

এই বিষয়গুলো মেইনটেইন করে কাজ করলে খুবই দ্রুততার সাথে শেষ হবে বাসা-বাড়ি শিফটের কাজ। বাসা-বাড়ি শিফট করার সময় এই বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।

Share with Friends:

৫টি গাছ এবং মশা থেকে সুরক্ষা !!! “Plants to Repel Mosquitoes”

৫টি গাছ দেবে মশা থেকে সুরক্ষা

বর্তমানে মশা একটি সার্বজনীন সমস্যা। সময়ের সাথে বাড়ছে মশার প্রকোপ এবং সেই সাথে বেড়ে চলেছে মশা দ্বারা পরিবাহিত রোগের পরিমাণ, যেমন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া। তাই মশা থেকে মুক্তি পেতে নগরবাসী প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কখনো আশ্রয় নেন কয়েলের ধোঁয়ার, আবার কখনো বিষাক্ত DEET মেশানো মশার স্প্রের। যদিও এ সবগুলোই সাস্থের জন্যে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্ষতিকর।

সম্প্রতি বিভিন্ন গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে মশার একটি ন্যাচারাল সমাধান; কয়েকটি গাছ যেটি আপনার ঘরের আশেপাশে থাকলে মশার উপদ্রপ কমে যাবে বহুগুন। কিভাবে? এই সব উদ্ভিদ থেকে নিঃসরণ হয় এক প্রকার গন্ধ, যা মশাদের পক্ষে সহ্য করা কষ্টকর। আসুন জেনে নেই এই গাছ গুলর পরিচয়।

ক্যাটনিপ

আমাদের গ্রামাঞ্চলে ঝোপে ঝাড়ে এই গাছটি দেখা যায় প্রয়ই। একেক জায়গায় একেক রকম নাম এই গাছের তবে সবাই জঙ্গলি গাছ হিসেবেই চেনে। বাহিরের দেশে বেশ কদর এই গাছের। উন্নত পারফিউম বানাতে ব্যাবহার করা হয় এটি। ক্যাটনিপে রয়েছে (nepetalactone) নামের কেমিক্যাল যার জন্যে এই গাছকে  DEET থেকেও ১০ গুন বেশি শক্তিশালী হিসেবে ধরা হয়। শুধু মশা নয়, ঘরের আসে পাশে যেকোনো ক্ষতিকর পতঙ্গ রোধ করবে এই গাছ।

 

catnep

 

পুদিনা

খাবার এবং ঔষুধি উপাদান হিসেবে পুদিনার সুনাম সবসময়ই ছিল। তবে এটি যে কতো ভালো মশা নিরোধক তা অনেকেই জানেন না। পুদিনা গাছ মশার লার্ভা দমন করতে সবচাইতে বেশি কার্যকর।

 

Papermint

 

সিট্রোনেলা

ঘাসের মত দেখতে, তাই এই গাছটিকে আমরা অনেকেই আগাছা ভেবে ভুল করে থাকি। আমাদের দেশে বেশ কিছু জায়গায় জন্মায় এই গাছ। অনেক দেশের খাবারে এটি সুগন্ধি হিসেবে এটি ব্যাবহার করা হয়। ৫-৬ ফিট পর্যন্ত লম্বা হয় সিট্রোনেলা। মশা নিরোধক হিসেবে এর অবদান অনন্য।

cintrella

 

গাঁদা

গাঁদা আমাদের দেশে অনেক কমন একটি ফুল। গৃহ সজ্জায় এর ভুমিকা অতুলনীয়। তবে এটির মশা নিধন ক্ষমতা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। গাঁদা ফুলের ঘ্রান হালকা হওয়া সত্তেও এই ফুল DEET থেকেও ৫০% বেশি কার্যকর।

marygold

 

তুলসি

ঠাণ্ডা বা কাশির ঔষুধ হিসেবে তুলসি আদি কাল থেকেই আমাদের বিশ্বস্ত। বলা হয়ে থাকে, ঘরে একটি তুলসি গাছ আপনাকে অনেক রোগ থেকে দূরে রাখে। তবে গবেষণায় দেখা যায় যে , শুধু রোগ-ব্যাধি নয়, তুলসি আপনাকে মশার হাত থেকেও দূরে রাখে। এর তীব্র গন্ধ মশার জন্যে প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে।

tulshi

 

গাছ লাগানোর পর কিন্তু সব দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। মনের মতো ফলাফল পেতে নয়মিত গাছের যত্ন নিন। আর যদি পরিবারের জন্য এক্সট্রা প্রটেকশনের দরকার অনুভব করেন তাহলে হ্যান্ডিমামা পেস্ট কন্ট্রোল তো আছেই।

Share with Friends: