10 colors for Cozier home। আপনার মুগ্ধকর ঘরের জন্যে…… (পর্ব-২)

living in colors

আগের পর্বে আমরা ৫টি চমৎকার রঙের সম্পর্কে জেনেছিলাম। এখন বলছি আরও ৫টি রঙের কথা।

 

Rich Blue
আপনার ড্রইং/ডাইনিং রুমের জন্যে Rich Blue চমৎকার একটি রং। নামের সাথে এর কাজেরও মিল আছে। আপনি যদি আর্টিস্টিক / শিল্পমনা হয়ে থাকেন অথবা বাসায় যদি অনেক আর্ট এলিমেন্ট  কালেকশনে থাকে তাহলে এই রঙটির সাথে খুব সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরটিকে।

Rich Blue

 

Warm Amber:

ঘরে যদি থাকে আপনার একান্ত কোন রোম্যান্টিক ডিনার কর্নার তাহলে Warm Amber পারফেক্ট। আবার আপনার ড্রেসিং রুমটিও হতে পারে Warm Amber রঙের। যেকোনো রঙের পোশাক এই রঙে খুব স্পষ্ট  ভাবে ফুটে উঠে। এই রঙের প্রভাব আপনার মনকে করে তুলবে প্রাণবন্ত। একটু ডীপ শেডের রঙ  হওয়ায় এটি ঘরের অনেক জায়গাতেই ঠিক সোভা পায় না। । তবে নির্দিষ্ট একটি আড্ডার কর্নারের জন্যেও বেছে নিতে পারেন এই রং।

Warm Amber

 

Gray-Blue:

খুবই হালকা নীল শেডের এই রং আপনাকে দিবে একধরনের রিল্যাক্সিং পরিবেশ। যদি ঘরের আসবাবপত্রের জন্য আপনি শুদ্ধতার রং সাদাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তাহলে Gray-Blue আপনার জন্য সবচাইতে ভাল অপশন।

Gray Blue

 

Deep Green:

বারান্দা এবং ছাদের জন্যে এই রঙের চাইতে ভাল কিছু পাওয়া দুষ্কর। আপনার বারান্দা/ছাদে যদি গাছ অথবা বাগান করে থাকেন তাহলে এই রং তার  সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলবে বহুগুনে। আবার বিভিন্ন ডিজাইনের সাথে এটি ফুটিয়ে তুলতে পারে আপনার অন্যান্য ঘরকেও।

Deep Green

 

Sky blue:

হালকা Blue ঘরের পরিবেশ অনেক উজ্জ্বল করে দেয়। তবে এই রং সবচাইতে পারফেক্ট আপনার রান্না ঘরের জন্যে। রান্না ঘরের উষ্ণতা অনেকটাই কমিয়ে দেয় এই রং। এছারাও অন্যান্য ঘরের দেয়াল, সিলিং সহ সব জায়গাতেই খাপ খেয়ে যায় Sky blue।

Sky Blue

 

রঙের ব্যেপারে আরও কিছু জানতে অথবা প্রফেশনালের অভিমত চাইলে সাথে থাকুন হ্যান্ডিমামার

Share with Friends:

LIVE DUST-FREE : বাসাবাড়ি থাকুক পরিষ্কার!!!

live Dust Free

আমাদের নগরবাসির সাথে ধুলোর এক ধরনের ভালোবাসার সম্পর্ক আছে। যতই আপনি চাইবেন ঘরের ধুলো দূর করতে তারা বারবার ফিরে আসবেই। তাই আসুন জেনে নেই কিভাবে এই সম্পর্কের মাঝে দূরত্ব বাড়াতে পারবেন।

প্রথমে জেনে নেই যে কি এই ধুলো? ধুলো হচ্ছে আমাদের শরীরের মৃত কোষ, গাছপালার মৃত তন্তু ও কাপর/কাগজ এর ক্ষয় হওয়া অংশ। মনে রাখবেন, ধুলো কখনো বাসায় একা আসে না, সাথে নিয়ে আসে হরেক রকমের জীবাণু আর এই জীবাণু আমাদের এজমা, এলার্জি সহ আরও অনেক রোগের কারন।

কিভাবে দূর করবেন?

১) বিছানার কাভার পরিবর্তন করুন প্রতি সপ্তাহে।
ধুলো এবং ধুলোর সাথে উড়ে আসা জীবাণুদের সবচাইতে পছন্দের জায়গা আপনার বিছানাটি। তাই সাপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর ও কভার পরিবর্তন করুন। এবং যদি সম্ভব হয় বক্স খাট ব্যাবহার থেকে বিরত থাকুন। কারন বক্স খাটের কিছু অংশ থাকে যেগুলো চাইলেই সহজে পরিষ্কার করা যায় না।

change your bedding

২) ক্লজেট পরিষ্কার রাখুন। কাপড় আলমারিতে রেখে নিশ্চিন্তে আছেন? লাভ নেই। প্রতিবার সেটা খোলার সাথে সাথে জীবাণুর প্রবেশ ঘটছে। এবং আপনার সাধের আলমারিটি হয়ে যাচ্ছে তাদের অভয়ারণ্য। তাই যদি সম্ভব হয় কাপড়গুলো ব্যাগে রাখুন। আর যদি সম্ভব না হয় তাহলে অন্তত আপনার কম ব্যবহৃত কাপড়গুলো যেমন শীত বস্ত্র/উলের কাপড় ইত্যাদি রাখার জন্যে প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যাবহার করুন।

dust free closet

৩) গৃহসজ্জায় বাহুল্য রাখবেন না। সব সজ্জার কথা বলছি না। তবে উলের অথবা তুলার তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে ঘর কম সাজানোই ভাল। এগুলো ধুলোর জন্যে খুব ভাল আশ্রয়দাতা হিসেবা কাজ করে। এছারাও যেসব উপাদান এর আসে পাশে পরিষ্কার করা যায় না সেগুলোর যথা সম্ভব স্বল্প ব্যাবহারই শ্রেয়।

minimal home decoration

৪) কার্পেট নিয়মিত ভ্যাকুয়াম ক্লিন করুন। হ্যাঁ, কার্পেট ঘরের সৌন্দর্য অনেক বাড়িয়ে দেয়। তবে এই সৌন্দর্যের মূল্য কম নয়। আপনি যদি কার্পেট ব্যাবহার করতেই চান তাহলে প্রতিদিন এটিকে ভ্যাকুয়াম ক্লিন করুন। এবং ক্লিনারের সাথে “ডাবল লেয়ার মাইক্রো ফাইবার” এর ব্যাগ ব্যাবহার করুন। তা না হলে জীবাণু আবার ঘরেই ফিরে আসবে। তবে এই ব্যাস্ত জীবনে এত সময় কোথায়? তাই  কার্পেটকে না বলাই শ্রেয়।

use vacuum cleaner

৫) ডাস্টার এর বিকল্পে ওয়েট ওয়াইপ্স।
ঘরের ধুলো/ময়লা পরিষ্কার করার জন্যে ডাস্টার ব্যাবহার করা বিপদজনক। ডাস্টার দিয়ে ধুলো ঝাড়লে তা এক জায়গা থেকে উড়ে আরেক যায়গায় গিয়ে পরে। এবং আশেপাশে যারা আছে তাদের নিঃশ্বাস এর সাথে দেহের ভেতরে যায়। তাই ডাস্টার এর পরিবর্তে ভেজা সুতি কাপড় ব্যাবহার করা উচিত।

use no duster

৬) নিয়ম মেনে পরিষ্কার করুন।
ঘরের উপরের স্থান (সিলিং,কার্নিশ, ইত্যাদি) গুলো আগে পরিষ্কার করুন এবং পর্যায়ক্রমে নিচের দিকে পরিষ্কার করতে থাকুন।

clean step by step

৭) ক্লিনিং রুটিন ফলো করুন।
সপ্তাহের একদিন সব কষ্ট না করে একটি রুটিন বানিয়ে রাখুন। প্রতিদিন অল্প অল্প করে পরিষ্কার করে রাখলে সেটা খুব একটা কষ্টের ব্যাপার হবে না। এছাড়াও আপনি চাইলে মাসের যে কোন একটি বা দুটি সপ্তাহে আপনার ঘরটি ডিপ ক্লিন করতে পারেন।

maintain routine

৮) প্রফেশনাল ডীপ ক্লিনিং সার্ভিস সাবস্ক্রাইব করুন। বছরের বিশেষ কিছু সময়ে প্রফেশনাল ডীপ ক্লিনিং সার্ভিস ব্যাবহার করুন। শীতের শেষে অথবা গ্রীষ্মের সময় ধুলোবালির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। তাই এসব সময়ে ঘরকে দীর্ঘমেয়াদী ভাবে ধুলো ও জীবানুমুক্ত রাখতে প্রফেশনাল ডীপ ক্লিনিং সার্ভিস এর সাহায্য নিন।

take deep cleaning

ক্লিনিং সহ আপনার বাসা-বাড়ি কিংবা অফিসের যেকোনো মেইন্টেন্যান্স প্রয়োজনে সাহায্য করবে হ্যান্ডিমামা

Share with Friends:

কেমিক্যাল ছাড়াই আসবাবপত্র পরিস্কার ও ঝকঝকে রাখার ৪টি প্রাকৃতিক উপাদান!

প্রতিদিন ঘর বাড়ি পরিস্কার-পরিছন্ন রাখা একটি অপরিহার্য কাজ। কেমিক্যাল ব্যবহার করে পরিস্কার করতে গিয়ে ঘটতে পারে নানান দুর্ঘটনা। তাই সহজেই হাতের কাছের জিনিস দিয়েই কিভাবে কম খরচে ও প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র পরিস্কার-পরিছন্ন রাখবেন তার কিছু হ্যান্ডিটিপস তুলে ধরছি।

১। লেবুঃ

Home improvement tips
Lemon

লেবু হল এমন একটি উপকরণ যা আমাদের সবার বাড়িতেই মোটামুটি সবসময় থাকে। আর এই লেবু থাকা মানেই আপনার বাড়ির অধিকাংশ জিনিস পরিস্কার করার কোনও ঝামেলাই নেই। লেবু শুধু শরবত হিসেবেই ব্যবহার হয় না ,এটা খুব  ভাল একটা প্রাকৃতিক ক্লিনজার।লেবুর মধ্যে অ্যাসিড থাকায় খুব সহজেই লেবুর সাহায্যে চিটচিটে পদার্থ, তেলচিটে ভাব বা কোনও কঠিন দাগও তোলা অনেকটা সহজ হয়।লেবু শুধু শরবত হিসেবেই ব্যবহার হয় না ,এটা খুব  ভাল একটা প্রাকৃতিক ক্লিনজার।

ব্যাবহারঃ

১। কাটিং বোর্ড এর উপরে দাগ তুলতে এবং জীবানুমুক্ত করতে লেবুর রস পানির সাথে মিশিয়ে একটি ব্রাশের সাহায্যে দাগযুক্ত স্থানে ঘষুণ, দাগ চলে যাবে।

২। কাপড়ের উপরের কঠিন দাগ তুলতে লেবুর রস লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন,পরের দিন ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সাদা কাপড় কে আরও বেশি সাদা করতে ১/২ কাপ লেবুর রস ডিটারজেন্ট এর সাথে মিক্স করুন, ব্যাস সাদা কাপড় হয়ে যাবে আরও ধবধবে সাদা।

৩। লেবুর সাথে কিছু লবন যোগ করলে দ্রবণটি আরও শক্তিশালী হবে যা কোন ধাতব জিনিসের জং তুলতে সাহায্য করে।

এছাড়াও প্লাস্টিকের খাবার বোতল এর দু্রগন্ধ দূর করতে মিশ্রণটি ব্যাবহার করতে পারেন।

৪। রান্না ঘরের বেসিন ও লেবু দিয়ে পরিস্কার করুন। লেবুটিকে ২ ভাগে ভাগ করে তাতে লবন মিক্স করে স্ক্রাব করুন ও গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২। বেকিং সোডাঃ

Home improvement tips
Baking Soda

আমরা অনেকেই বেকিং সোডা অহরহ ব্যবহার করি। বেকিং সোডা যেটা খাবার সোডা হিসেবে ব্যবহার হয় সেটার অনেক উপকারিতা রয়েছে ।এটা দারুন একটা ক্লিঞ্জার যা নিমিসেই আপনার বাড়ি পরিস্কার করবে।

ব্যাবহারঃ

১। ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ১ চামচ পানির সাথে মিক্স করে একটা টুথব্রাশ দিয়ে ঘষলে জং উঠে যাবে।

২। খোলা প্যাকেট ফ্রিজে রাখলে ফ্রিজের দুরগন্ধ দূর হবে। এটি পানির সাথে মিক্স করে আপনার অপরিছন্ন চা চামচ ,থালা বাসন, ব্রাশ ইত্যাদি ডুবিয়ে রাখুন, দেখবেন নিমিসেই ঝাকঝাকে হয়ে যাবে।

৩। চা এবং কফির কঠিন দাগ দূর করতে ১/২ কাপ ভিনেগারের মধ্যে চা-কফির কাপ ৩০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন, ধুয়ে শুকিয়ে ফেলুন। দাগ চলে যাবে।

৪।এটি যেহেতু এন্টি ব্যাক্টেরিয়া হিসেবে কাজ করে তাই আপনার বেড রুম বা বাথ রুম এর মেঝে জীবানু মুক্ত করতে এর জুড়ি নেই।

৫। গ্যারেজের মেঝে পরিস্কার করতে ভেনিগার এবং পানির পেস্ট মাখিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন একটা পুরোনো ব্রাশ দিয়ে ঘষে ধুয়ে ফেলুন।

৩। অলিভ ওয়েলঃ

Olive Oil
Olive Oil

অলিভ অয়েলের উপকারিতা কমবেশি সবার জানা। দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন উপায়ে আমরা এই তেল ব্যবহার করে থাকি। শুধু রূপচর্চা বা স্বাস্থ্য পরিচর্যায়ই নয়, অলিভ ওয়েল ন্যাচারাল ক্লিঞ্জার হিসেবে বহুল পরিচিত।

ব্যাবহারঃ

১। অলিভ ওয়েল এর সাথে কিছু লবন মিক্স করে আপনার লেদারের আসবাবপত্রে ব্যবহার করুন। লেদার আসবাবপত্র থেকে এটি খুব সহজেই ময়লা বের করে আনে এবং দাগ দূর করে।

২। যদি এর সাথে কিছু লবন যোগ করা হয় এটি উড পলিসার হিসেবেও দারুণ কাজ করে। কাঠের ফার্নিচার চকচকে রাখতে চাইলে কাপড়ে দু-এক ফোটা অলিভ অয়েল লাগিয়ে ফার্নিচার গুলো মুছে নিন।

৩। মোমদানীতে মোম বাতি জ্বালালেই মোম গলে আটকে যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে অলিভ অয়েল।

৪। স্টেইনলেস স্টিলের থালা বাসন চকচকে করতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। স্টেইনলেস স্টিলের যেই অংশে দাগ পরে গিয়েছে সেই স্থানে কিছুক্ষন অলিভ অয়েল ঘষে নিলে অনায়েসেই দাগ উঠে যায়।

৫। অনেক সময় কাঠের দরজা খুলতে বা বন্ধ করতে ক্যাচ ক্যাচ শব্দ হয়। এই শব্দ দূর করতে কাঠের দরজার জয়েন্টে কয়েক ফোটা অলিভ অয়েল লাগিয়ে নিন। দরজার বিরক্তিকর শব্দ চলে যাবে।

৪। ভিনেগারঃ

Vinegar
Vinegar

ভিনেগার এক ধরনের তরল পদার্থ। মাংস রান্না, আচার কিংবা সালাদ বানানো ইত্যাদি অনেক কিছুতেই ভিনেগার ব্যবহার করা হয় অহরহ। রান্না ছাড়াও বিভিন্ন গৃহস্থালি কাজে কিংবা কোনো কিছু পরিষ্কার করতেও ভিনেগার ব্যবহার করা হয়।

ব্যাবহারঃ

১। ভিনেগারের ন্যাচারাল এসিড ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে এবং এর এসিড এতটাই শক্তিশালি যে মরিচার কঠিন দাগ তুলতে এর জুড়ি নেই।

২। ডিসওয়াস করতে ডিসওয়াসের মধ্যে ১/২ কাপ ভিনেগার যোগ করুন, থালাবাসন ঝকঝকে হবে।

৩। ড্রেন অথবা যেকোন পাইপ পরিস্কার করতে পরিমান মাতো ভিনেগার দিন। ৩০ মিনিট পরে থান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪। যে কোন আয়না পরিস্কার করতে ১ কাপ ভিনেগার পানির সাথে মিক্স করে ধুয়ে ফেলুন। পুরনো ছাতা ধরা দেয়ালের দাগ দূর কর‍তে আক্রান্ত স্থানে ভিনেগার স্প্রে করুন, শুকানোর জন্য কিছুক্ষণ সময় দিন তারপর ধুয়ে ফেলুন।

৫। রুম থেকে খারাপ দুরগন্ধ দূর করতে আপনি একটা বালতিতে ১ কাপ ভিনেগার মিক্স করে রুমে রেখে দিলেই সব দুরগন্ধ চলে যাবে। এছাড়াও কারপেট এবং মেঝে পরিস্কার উজ্জল করতে ১ কাপ ভিনেগার ১ বালতি পানিতে মিক্স করে ব্যবহার করুন।

টিপসগুলো যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Share with Friends: